হ্যাকিং কি এবং কিভাবে করা হয়
হ্যাকিং কি
কোন কম্পিউটার সিস্টেমে বা কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বা ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করে তথ্য চুরি করা,তথ্য বিনষ্ট করা পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে নিজের বা নিজেদের আয়ত্তে রেখে ক্ষতিসাধন করা হচ্ছে হ্যাকিং |
হ্যাকিং সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে :
1.বৈধ হ্যাকিং
2.অবৈধ হ্যাকিং
বৈধ হ্যাকিং (Ethical) :অনেক সময় অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বৈধ এত নিয়োগ করে |এরা কেবলমাত্র সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে কিন্তু কোনো ক্ষতি করে না |এদেরকে ইথিক্যাল হ্যাকার বলে |
অবৈধ হ্যাকিং(Cracker) :অবৈধ হ্যাকিংকারীদের ক্র্যাকার বলা হয় |তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা চুরি বা নষ্ট করে |হ্যাকাররা বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার টুলস ব্যবহার করে সিস্টেম এর দুর্বলতা খুঁজে বের করে পাসওয়ার্ড চুরি করে |
অবৈধ হ্যাকারদের ব্যবহৃত টুলস এর নাম ও কাজ
Spyware: ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত কম্পিউটারে ফাইল তৈরি করতে পারে |এই বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার টুল কে বলা হয় স্পাইওয়্যার |
Telnet: হ্যাকাররা টেলনেট টুলস এর মাধ্যমে দূরবর্তী বা রিমোট কম্পিউটারে যুক্ত হয়ে ডাটা পড়তে পারে
হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে ইনকিসিশন টেকনোলজি ও ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে হবে
হ্যাকিং এর বিভিন্ন কৌশল রয়েছে | সেগুলো হলো 1.জ্যামিং(Jamming) 2.স্নেকিং(Snaking) 3.স্পুফিং (Spoofing)4.সেলিকুলাস (seleculas)ইত্যাদি |
হ্যাকিং রোধ করার উপায়
হ্যাকিং রোধ করতে হলে সর্বপ্রথম দরকার সচেতনতা |ডাটা বা তথ্য কে চুরির হাত থেকে রক্ষা করতে হলে | প্রযুক্তিগত সচেতনতার বিকল্প নেই | হ্যাকিং প্রতিরোধের উপায় গুলো হতে পারে:
- নেটওয়ার্কে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হবে
- ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের কম্পিউটার সিস্টেম রক্ষা করতে হয়
- এনক্রিপ্টেড (Encrypted)টেকনোলজি ব্যবহার করতে হবে
- আপডেট এন্টিভাইরাস (Antivirus) ব্যবহার করতে হবে
- পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সিম্বলিক ক্যারেক্টার(Character) বা বর্ণ ব্যবহার করতে হবে
- হ্যাকিং এর অন্যতম একটি অস্ত্র ট্রোজান থেকে রক্ষা পেতে হলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের অপরিচিত কনটেন্টে প্রবেশ করা বন্ধ করতে হবে |


No comments