ন্যানো টেকনোলজি প্রথম অধ্যায় পাঠ-১৪
ন্যানো টেকনোলজি
ন্যানো টেকনোলজিঃ পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞানকে ন্যানো টেকনোলজি বলে। ন্যানো শব্দটি গ্রিক nanos শব্দ থেকে এসেছে যার আভিধানিক অর্থ dwarft কিন্তু এটি একটি মাপের একক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় ১ ন্যানো মিটার। অর্থাৎ 1 nm = 10-9 m । আর এ ন্যানোমিটার স্কেলে যে সমস্ত টেকনোলজি সম্পর্কিত সেগুলোকেই ন্যানো টেকনোলজি বলে।
·
ন্যানো টেকনোলজির প্রয়োগক্ষেত্রঃ
- ১। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরি
- ২। ন্যানো রোবট
- ৩। ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি
- ৪। জালানি তৈরিতে
- ৫। প্যাকেজিং ও প্রলেপ তৈরি
- ৬। ঔষধ তৈরি
- ৭। খেলাধুলার সামগ্রী
- ৮। মহাকাশ অভিযান
- ৯। বস্ত্র শিল্প
- ১০। কৃত্তিম অঙ্গ-পতঙ্গ তৈরি


No comments